1. dssangbad1@gmail.com : dss :
  2. admin@news.eswadhinsangbad.com : admin :
প্রায় ১০ হাজার টন চুনাপাথর রাতের আঁধারে বিক্রির অভিযোগ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে জাসাস’র বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন  র‌্যাব-১০ এর একাধিক অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও কেরাণীগঞ্জ এলাকা হতে টপবাজ, গ্যাং স্টার প্যারাডাইস, বয়েস হাই ভোল্টেজ, দে-দৌড়, হ্যাচকা টান ও বুস্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন কিশোর গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেফতার ভাষা শহীদদের প্রতি আমতলী সাংবাদিক ফোরামের শ্রদ্ধা নিবেদন লক্ষীপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পুলিশ সুপারের শ্রদ্ধা নিবেদন নোয়াখালী চৌমুহনীতে টেকনাফের এক ব্যক্তি অপহরণ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে হ্যাপি জেনারেল হাসপাতালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ব্রাহ্মবাড়িয়া ৩ দিনব্যাপী দ্বিতীয় অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪ শুরু নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ আয়োজনে সাংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে মক্তব থেকে ফেরার পথে শিশুকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

প্রায় ১০ হাজার টন চুনাপাথর রাতের আঁধারে বিক্রির অভিযোগ

মোঃ ইসলাম উদ্দিন তালুকদার
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৪ জন দেখেছে

ছাতক সিমেন্ট কারখানার কোটি টাকার চুনাপাথর রাতের আঁধারে বিক্রির অভিযোগে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে কারখানার সীমান্তবর্তী ডাম্পিং সাইড থেকে প্রায় ১০ হাজার টন চুনাপাথর চোরাই পথে বিক্রি করে বিক্রীত অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডাম্পিং সাইডের দায়িত্বে থাকা ইউসুফ মিয়া নামে কারখানার এক কর্মকর্তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুবছর আগে দেশের প্রাচীনতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছাতক সিমেন্ট কারখানা বিভিন্ন যান্ত্রিক সমস্যার কারণে উৎপাদন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে কারখানায় নতুন ড্রাই প্রসেস প্রকল্পের কাজও শুরু করা হয়। পুরাতন কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার সুযোগে কতিপয় অসাধু দুনীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী লুটপাটে জড়িয়ে পড়েন। পুরাতন কারখানার বিভিন্ন মালামাল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চোরাই পথে বিক্রি করা শুরু হয়। কারখানার মূল্যবান মালামাল চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে একাধিকবার ধরা পড়লেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনিব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি।

জানা যায়, উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নোয়াকোট এলাকায় রয়েছে কারখানার একটি বিরাট ডাম্পিং সাইড। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কুমেরা অঞ্চলের কারখানার নিজস্ব খনি প্রকল্প থেকে কারখানার প্রধান কাঁচামাল চুনাপাথর এনে নোয়াকোট এলাকায় ডাম্পিং করা রাখা হতো। পরে সেখান থেকে ডাম্পিংকৃত চুনাপাথর রোপওয়ের মাধ্যমে কারখানার মূল প্লান্টে নিয়ে আসা হতো। প্রায় দুবছর আগে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় ছাতক সিমেন্টর কারখানার কয়েক লাখ টন চুনাপাথর বিভিন্ন সময়ে বৈধ ও অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়।

এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও কারখানা কর্তৃপক্ষের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এর পরও নোয়াকোট ডাম্পিং সাইডে ১০-১২ হাজার টন চুনাপাথর থেকে যায়। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা এসব চুনাপাথর মাটির আবরণে বেশিরভাগই ঢাকা পড়ে যায়। শুক্রবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নাম করে ডাম্পিং সাইডে পড়ে থাকা সর্বশেষ চুনাপাথর রাতের আঁধারে বিক্রি করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডাম্পিং সাইডের দায়িত্বে থাকা কারখানার ইউসূফ মিয়াকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তাদের কোনো চুনাপাথর নেই। মাটির নিচে পড়ে থাকা কিছু পাথর স্থানীয় মসজিদের নামে দেওয়া হয়। বিষয়টি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জানা আছে।

এ সময় ইউসূফ মিয়ার কথাবার্তায় বেশ অসঙ্গতি লক্ষ করা গেছে।

এ ব্যাপারে কারখানার ড্রাই প্রসেস প্রকল্পের ডিপিডি আব্দুর রহমান বাদশা বলেন, তিনি পুরাতন কারখানার কোনো দায়িত্বে নেই। যে কারণে এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারবেন না।

কারখানার এমডি অমল কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, চুনাপাথর বিক্রি ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Design & Developed by REHOST BD