1. dssangbad1@gmail.com : dss :
  2. admin@news.eswadhinsangbad.com : admin :
সাতক্ষীরা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে শীতকালীন খেজুরের রসের ঐতিহ্য - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে জাসাস’র বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন  র‌্যাব-১০ এর একাধিক অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও কেরাণীগঞ্জ এলাকা হতে টপবাজ, গ্যাং স্টার প্যারাডাইস, বয়েস হাই ভোল্টেজ, দে-দৌড়, হ্যাচকা টান ও বুস্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন কিশোর গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেফতার ভাষা শহীদদের প্রতি আমতলী সাংবাদিক ফোরামের শ্রদ্ধা নিবেদন লক্ষীপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পুলিশ সুপারের শ্রদ্ধা নিবেদন নোয়াখালী চৌমুহনীতে টেকনাফের এক ব্যক্তি অপহরণ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে হ্যাপি জেনারেল হাসপাতালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ব্রাহ্মবাড়িয়া ৩ দিনব্যাপী দ্বিতীয় অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪ শুরু নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ আয়োজনে সাংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে মক্তব থেকে ফেরার পথে শিশুকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে শীতকালীন খেজুরের রসের ঐতিহ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৮ জন দেখেছে

সাতক্ষীরা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে শীতকালীন খেজুরের রসের ঐতিহ্য। হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর গাছ। শীতের সঙ্গে খেজুরের রসের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

শীতকালে খেজুর থেকে মিষ্টি রস ও গুড় পাওয়া যায়। ফল হিসেবে খেজুরের জুড়ি নেই। শীতের মিষ্টি রোদে খেজুরের গুড় দিয়ে মুড়ি খেতে কে না ভালোবাসে?

এক সময় শীত মৌসুমে গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পিঠা, পায়েস, ভাপা পিঠাসহ রসের গুড় ও মুড়ি, চিড়া, খই ও চিতই পিঠাসহ নানা ধরনের পিঠাপুলির উৎসব হতো।

কিন্তু রাস্তার দুপাশে আগের মত খেজুর গাছের সারি আর নেই। গ্রামের রাস্তা মেরামত ও নতুন খেজুর গাছ লাগাতে মানুষের অনীহার কারণে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও কিছু বাড়ির উঠোনের আশেপাশে দাঁড়িয়ে আছে কিছু খেজুর গাছ।

গ্রামীণ শৈলীতে রস আহরণের ঝুঁকি নিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে শীতের বিকেলে গাছে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি বেঁধে গাছগুলো এখনো রস সংগ্রহ করছে। আগে তারা এ কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

গাছি মকছেদ আলী বলেন, রাস্তা সংস্কারের কারণে খেজুর গাছ কেটে ফেলা হলেও কেউ তা লাগাচ্ছে না। বর্তমান যে হারে খেজুর গাছ কাটা হচ্ছে তাতে হয়তো আমাদের এলাকায় কোনো এক সময়ে খেজুর গাছ দেখা যাবে না।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, খেজুর গাছ একদিকে যেমন গ্রামের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি অন্যদিকে সুস্বাদু খাবারের রসও পাওয়া যায়। এখন যদি খেজুর গাছ রক্ষণাবেক্ষণ না করা হয় এবং প্রতিস্থাপন করা হয়, তাহলে খেজুর গাছ শীঘ্রই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
তাই সরকারি সহযোগিতার অভাবে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। কারণ নতুন খেজুর গাছ রোপণে মানুষ আগ্রহী নয়।

তাল গাছের মতো খেজুর গাছ লাগানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রচারণা থাকলে খেজুর গাছের সংখ্যা আরও বাড়ত। তা না হলে ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুর গাছের রস ক্রমশ হারিয়ে যাবে, হারিয়ে যাবে গ্রামবাংলার আরেক ঐতিহ্য। ‘

কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হক বলেন, ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুর গাছের রস। শীত শুরু হওয়ায় গাছগুলো রস সংগ্রহের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত গাছিরা। খেজুর গাছ কাটা এক ধরনের শিল্প। এর জন্য প্রয়োজন বিশেষ দক্ষতা।

কারণ এই খেজুরের ডাল কেটে গাছের সাদা বুক বের করার কৌশল আছে, ধৈর্য আছে। এই খেজুরের রস থেকে বিভিন্ন ধরনের গুড় তৈরি করে গাছিরা। তাই খেজুর গাছ কেটে ফেলার কারণে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এই শিল্প। এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Design & Developed by REHOST BD